Image Source: wikipedia.org
ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই ভারতের বিমান পরিষেবায় অভূতপূর্ব অস্থিরতা তৈরি করেছে ইন্ডিগো। দেশের সবচেয়ে বড় বেসরকারি বিমান সংস্থা। তাঁর হঠাৎ বিভ্রাটে কয়েক হাজার যাত্রীকে দেশ বিদেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছে। ইন্ডিগো উড়ান বিভ্রাটে সোমবারও ৩০০–র বেশি উড়ান বাতিল হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
যাত্রীদের ভোগান্তির সপ্তম দিন; সোমবার বাতিল ৩০০-রও বেশি বিমান!
কলকাতা, দিল্লি, মুম্বই,থেকে শুরু করে বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ। দেশের প্রায় সব বিমানবন্দরে ইন্ডিগো ফ্লাইটের রোস্টার বিপর্যস্ত। দিন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীদের ক্ষোভ, অসন্তোষ সোশ্যাল মিডিয়ায় আরও তীব্র হচ্ছে। নীচে প্রতিবেদনটির একটি সংক্ষিপ্তসার দেওয়া হল-
- ইন্ডিগো উড়ান বিভ্রাটঃ যাত্রীদের ভোগান্তির সপ্তম দিন; সোমবার বাতিল ৩০০-রও বেশি বিমান!
- ডিসেম্বর ২০২৫ শুরুতেই ইন্ডিগো বিমান বিভ্রাট ঠিক কী? কেন বিভ্রাট!
- ইন্ডিগো বিভ্রাটের সপ্তাহ পেরিয়ে: বর্তমান পরিস্থিতি এবং বিশেষজ্ঞদের মতামত
- বিমান বিভ্রাটের ভারতীয় অর্থনীতির ওপর প্রভাব
- অচলাবস্থা থেকে মুক্তির সম্ভাব্য উপায়: চূড়ান্ত ভাবনা
- FAQs
ডিসেম্বর ২০২৫ শুরুতেই ইন্ডিগো উড়ান বিভ্রাট ঠিক কী এবং কেন?
২০২৫ সালের ডিসেম্বরের শুরুতে ইন্ডিগোতে (IndiGo) যে ব্যাপক বিমান বিভ্রাট দেখা দিয়েছে , তার মূল কারণগুলি হলো:

১. নতুন FDTL নিয়ম এবং কর্মীদের অসন্তোষ
ইন্ডিগো বিমান বিভ্রাট সমস্যার এই পরিস্থিতির জন্য অনেকেই দায়ী করছেন DGCA-র নয়া নিয়মকে। ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে পাইলট ও বিমানকর্মীদের স্বার্থ রক্ষায় তাঁদের কাজের সময় নির্দিষ্ট করে দিয়েছিল DGCA। ‘ফ্লাইট ডিউটি টাইম লিমিটেশনস’ নামের ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছিল-
- বিশ্রামের সময় বৃদ্ধি: নতুন FDTL নিয়মে পাইলট ও বিমানকর্মীদের কাজের সময়ের সীমা কমানো হয়েছে। তাদের সাপ্তাহিক ও রাতের বিশ্রামের সময়কাল কঠোরভাবে বাড়ানো হয়েছে। এর লক্ষ্য হলো পাইলটদের ক্লান্তিজনিত ঝুঁকি কমানো এবং উড়ানের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
- কর্মীর অভাব: ইন্ডিগো পর্যাপ্ত সংখ্যক পাইলট ও কেবিন crew নিয়োগ বা প্রশিক্ষণ দিতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে, নতুন নিয়মের অধীনে কঠোরভাবে বিশ্রামের সময় মেনে চললে, ফ্লাইট পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মী রোস্টারে পাওয়া যাচ্ছে না।
- পরিকল্পনার ত্রুটি: কেন্দ্রীয় বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী রাম মোহন নাইডুও সংসদে জানিয়েছেন যে, এই সঙ্কট ইন্ডিগোর অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনার ব্যর্থতা। এবং crew রোস্টার ও পরিকল্পনার গলদ-এর ফল। অন্যান্য বিমান সংস্থাগুলি তুলনামূলকভাবে কম সমস্যায় নতুন নিয়মের সঙ্গে মানিয়ে নেয়। কিন্তু ইন্ডিগো সেই প্রস্তুতি নিতে পারেনি।
২. অভ্যন্তরীণ অব্যবস্থাপনা এবং রোস্টারিং সমস্যা
- রোস্টারের দুর্বলতা: রোস্টার হলো কর্মীদের কাজের শিফটের তালিকা। নতুন নিয়ম অনুযায়ী রোস্টার তৈরি করার ক্ষেত্রে ইন্ডিগোর সিস্টেমে বড় ত্রুটি দেখা দিয়েছে। অনেক সময় দেখা গেছে, যেখানে একজন পাইলটের দরকার ছিল। তিনি অন্য শহরে আটকে আছেন, যার ফলে ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছে।
- প্রস্তুতির অভাব: DGCA-এর নতুন নিয়মগুলো পর্যায়ক্রমে কার্যকর করার জন্য ইন্ডিগো এক বছরেরও বেশি সময় পেয়েছিল। তা সত্ত্বেও, তারা সময়মতো পাইলট নিয়োগ করতে ব্যর্থ। এবং নতুন রোস্টার সিস্টেম তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
৩. প্রযুক্তিগত সমস্যা
ইন্ডিগো কিছু কিছু ক্ষেত্রে কারিগরি বা সফটওয়্যার সমস্যার কথা স্বীকার করেছে। প্রধান বিমানবন্দরগুলিতে চেক-ইন এবং ডিপারচার কন্ট্রোল সিস্টেমে সমস্যা দেখা দেওয়ায় ফ্লাইট পরিচালনায় বিলম্ব হয়েছে।
এই সবগুলি কারণ একসাথে হয়ে ডিসেম্বরের মতো বছরের ব্যস্ততম সময়ে ইন্ডিগোর পরিষেবাতে বিশাল বিপর্যয় সৃষ্টি করেছে। যার ফলস্বরূপ শত শত ফ্লাইট বাতিল হয়েছে এবং হাজার হাজার যাত্রী ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। ফলে এক সপ্তাহ পেরিয়ে যাত্রীদের সংকট এবং তাদের বর্তমান পরিস্থিতির ছবি দেখা যায়
ইন্ডিগো বিভ্রাটের সপ্তাহ পেরিয়ে: বর্তমান পরিস্থিতি

ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সের এই নজিরবিহীন বিমান বিভ্রাটের সোমবার ছিল সপ্তম দিন। এক সপ্তাহ ধরে চলা এই সংকটে যাত্রীরা যেমন হয়রান হয়েছে। তেমনি সংস্থাটির ভাবমূর্তিও মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে। সপ্তম দিনে এসে পরিস্থিতি সামান্য হলেও স্বাভাবিকতার মুখ দেখলেও, তা মোটেও সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নেই। সমস্যা যে গভীর এবং বহুমাত্রিক, তা প্রমাণিত হচ্ছে ফ্লাইট বাতিলের সংখ্যায়। সপ্তাহ খানেক আগে দৈনিক ৫০০ থেকে ৬০০-এর বেশি ফ্লাইট বাতিল হচ্ছিল। তখন যেমন পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক ছিল, তেমনই সোমবারও (সপ্তম দিনে) ৩০০-এর বেশি ফ্লাইট বাতিল হওয়া প্রমাণ করে সমস্যার গভীরতা এখনও একই রকম বিদ্যমান।
এই বিপুল সংখ্যক বাতিল ফ্লাইট শুধু যাত্রী ভোগান্তিই বাড়িয়েছে। সাথে সংস্থাটির অপারেশনাল স্থিতিশীলতা নিয়েও বড় প্রশ্ন তুলেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ইন্ডিগো কর্তৃপক্ষ বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি করেছে। সেগুলি –
- ব্যাকএন্ড সিস্টেম রিপেয়ার: কর্মীদের রোস্টার, এবং ফ্লাইট অপারেশন নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহার করা হয় কিছু সফটওয়্যার। সেই অভ্যন্তরীণ সফটওয়্যার ও প্রযুক্তিগত প্রক্রিয়াগুলির ত্রুটিগুলি চিহ্নিত করে সেগুলির জরুরি মেরামত এবং আপগ্রেড করা হচ্ছে।
- Crew শিডিউল পুনরায় সাজানো: DGCA-এর নতুন FDTL নিয়মাবলী এখন কঠোরভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে। পাইলট ও বিমানকর্মীদের কাজের সময় এবং বিশ্রামের সময় সঠিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। এর ফলে নতুন ও ত্রুটিমুক্ত রোস্টার বা কর্মতালিকা তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে।
- আগামী কয়েকদিনে ফ্লাইট পুনরায় স্বাভাবিক হবে: সংস্থাটি আত্মবিশ্বাসের সাথে দাবি করেছে যে, অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাগুলি স্থিতিশীল হলে বাতিল হওয়া ফ্লাইটের সংখ্যা দ্রুত কমে যাবে। তারা বলছে, পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিকের দিকে ফিরছে। আগামী সপ্তাহের শুরুতেই অপারেশনাল পারফরম্যান্স আগের অবস্থায় ফেরানো সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তবে বিমান বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সমস্যাটি শুধু রোস্টার বা সফটওয়্যার রিপেয়ারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তাঁদের মতে, এর জন্য আরও বেশি সংখ্যক পাইলট নিয়োগ করা জরুরি। একই সঙ্গে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণও দরকার হবে বলে বিশেষজ্ঞদের মত।
তাঁদের মতে, বর্তমান গতিতে কাজ চললেও সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসতে আরও কয়েক সপ্তাহ সময় লাগবে। পরিষেবা পুরোপুরি স্বাভাবিক হতেও অন্তত একই সময় লাগবে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা। ফলে ইন্ডিগো বিমান বিভ্রাট ভারতীয় অর্থনীতির ওপর ছাপ দেখা গেছে তা হল –
বিমান বিভ্রাট: ভারতীয় অর্থনীতির ওপর প্রভাব
ভারতের বিমান পরিবহন খাত দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। ইন্ডিগোর মতো একটি বৃহৎ বিমান সংস্থার কার্যক্রমের এই ব্যাপক অচলাবস্থা কেবল যাত্রীদের ভোগান্তিই বাড়ায় না। বরং জাতীয় অর্থনীতিতেও গভীর ও সুদূরপ্রসারী নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। বিমান পরিবহন খাতে প্রতিদিন হাজার হাজার কোটি টাকার লেনদেন হয়; সেই জায়গায় এ ধরনের দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা ভারতের প্রবৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক গতিধারাকে প্রভাবিত করতে পারে।
এই সমস্যার কারণে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে বড় ধরনের ক্ষতি পরিলক্ষিত হয়েছে:
ব্যবসায়িক সফর বন্ধ:
কর্পোরেট এক্সিকিউটিভ, ব্যবসায়ী এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা জরুরি মিটিং বা চুক্তির জন্য দ্রুত বিমান সফর করেন। ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক সফর বন্ধ হয়ে গেছে বা মারাত্মকভাবে বিলম্বিত হয়েছে, যা সরাসরি ব্যবসা-বাণিজ্য, চুক্তি সম্পন্ন করা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি কমিয়ে দিয়েছে।
পর্যটন ক্ষতিগ্রস্ত:
বিশেষ করে বছরের এই পিক সিজনে (ডিসেম্বর) দেশি-বিদেশি পর্যটকরা ভ্রমণের জন্য ইন্ডিগোকে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করেন। ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় বহু মানুষ তাদের ছুটি বাতিল করেছেন বা গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেননি, যার ফলে হোটেল, রিসর্ট, ট্রাভেল এজেন্সি এবং স্থানীয় পরিবহন ব্যবসায় বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে।
আন্তর্জাতিক লেনদেন ব্যাহত:
আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল বা দেরির কারণে বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে (Global Supply Chain) বিঘ্ন ঘটেছে। যে সকল পণ্য দ্রুত পৌঁছানো প্রয়োজন, বিশেষ করে উচ্চ-মূল্যের বা পচনশীল পণ্য, সেগুলির পরিবহণে সমস্যা দেখা দেওয়ায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক লেনদেন ব্যাহত হচ্ছে।
কার্গো পরিবহণে বিপর্যয়:
যাত্রীবাহী বিমানগুলিতে প্রায়শই গুরুত্বপূর্ণ কার্গো বা মালপত্র পরিবহন করা হয়। ফ্লাইট বাতিলের ফলে জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জাম, ইলেকট্রনিক্স এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কার্গো পরিবহণের সময়সূচি সম্পূর্ণভাবে বিপর্যস্ত হয়েছে। যা শিল্প এবং উৎপাদন খাতের জন্য নেতিবাচক ফল বয়ে এনেছে।
বিদেশি বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টিভঙ্গি নষ্ট:
এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা খাতে দীর্ঘস্থায়ী এবং বারবার অপারেশনাল ব্যর্থতা। বিদেশী বিনিয়োগকারীদের মনে ভারতের পরিকাঠামো এবং পরিষেবা সরবরাহের ক্ষমতা সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি করতে পারে। এটি ভবিষ্যতে ভারতে নতুন বিনিয়োগের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে।
এই অচলাবস্থা ইঙ্গিত দেয় যে, ভারতের বিমান পরিবহন ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ। অর্থনৈতিক কার্যকলাপের গতি বজায় রাখতে এর স্থিতিশীলতা অপরিহার্য। বাজার এবং বিনিয়োগকারীদের বিশ্বাস ধরে রাখতেও এটি অত্যন্ত জরুরি। সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত পদক্ষেপ না নেওয়া হলে, এই সমস্যাটি বৃহত্তর অর্থনৈতিক ধাক্কায় পরিণত হতে পারে।
অচলাবস্থা থেকে মুক্তির সম্ভাব্য উপায়: চূড়ান্ত ভাবনা
ইন্ডিগোর এই সংকট থেকে মুক্তির জন্য জরুরি ব্যবস্থা এবং দীর্ঘমেয়াদী কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন। স্বল্পমেয়াদে, ইন্ডিগোকে দ্রুততার সাথে নতুন DGCA ও FDTL নিয়ম মেনে চলতে হবে। এতে তাদের অভ্যন্তরীণ রোস্টার পদ্ধতিকে স্বয়ংক্রিয় ও ত্রুটিমুক্ত করা অপরিহার্য। কর্মীদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিশ্চিত করতে হবে। রোস্টার স্থিতিশীল করতে ওয়েট-লিজের মাধ্যমে জরুরি ভিত্তিতে অতিরিক্ত পাইলট নিয়োগ করা প্রয়োজন। যাত্রীদের বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে ক্ষতিপূরণ ও বিকল্প ব্যবস্থার প্রক্রিয়াটিকে শক্তিশালী করা অপরিহার্য।Re
Read more News
iPhone 17 Pro Price in India Leaked
FAQs
প্রধান কারণ হলো DGCA কর্তৃক বাধ্যতামূলক করা নতুন ‘ফ্লাইট ডিউটি টাইম লিমিটেশনস’ (FDTL) নিয়ম। এই নিয়মের কারণে পাইলটদের বিশ্রামের সময় বেড়ে যাওয়ায় ইন্ডিগো পর্যাপ্ত সংখ্যক কর্মীর অভাব (Crew Shortage) সামলাতে পারেনি।
ঘন্টার পর ঘন্টা বিমানবন্দরে অপেক্ষা, কানেক্টিং ফ্লাইট মিস, হোটেল বুকিং নষ্ট, এবং জরুরি চিকিৎসাজনিত ভ্রমণ থমকে যাওয়া। সঠিক তথ্য না পাওয়া এবং কাস্টমার কেয়ারের দুর্বল পরিষেবাও বড় সমস্যা।
না, আন্তর্জাতিক রুটগুলিতেও ফ্লাইট বাতিল ও বিলম্বের ঘটনা ঘটেছে, বিশেষ করে যে সকল রুটে পাইলট ও ক্রুদের দীর্ঘ ডিউটি করতে হয়।
ব্যবসায়িক সফর, পর্যটন এবং কার্গো পরিবহন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়াও, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে দেশের পরিষেবার ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে।
ইন্ডিগো দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিলেও, বিমান বিশেষজ্ঞদের মতে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসতে এবং পরিষেবা স্বাভাবিক হতে অতিরিক্ত পাইলট নিয়োগ ও রোস্টার স্থিতিশীলতার জন্য আরও কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।
তারা ব্যাকএন্ড সিস্টেমের ত্রুটি মেরামত করছে, নতুন FDTL অনুযায়ী ক্রু শিডিউল বা রোস্টার পুনর্গঠন করছে এবং জরুরি ভিত্তিতে বিকল্প পাইলট নিয়োগের চেষ্টা করছে।
